ঢাকা কলেজ-এর সদস্য সচিব মিল্লাদ হোসেন লাইয়ের গ্রাফিতি অংকনে পুলিশের বাধা দেওয়ার ঘটনায় প্রশ্ন তুলে বলেন, “শিল্প, সংস্কৃতি ও মতপ্রকাশের জায়গায় কোনো ধরনের অযৌক্তিক বাধা থাকা উচিত নয়। শিক্ষার্থীরা দেয়ালচিত্র ও গ্রাফিতির মাধ্যমে সমাজের বাস্তবতা, ইতিহাস, প্রতিবাদ ও সচেতনতামূলক বার্তা তুলে ধরতে চায়। এটি তাদের সাংস্কৃতিক অধিকার ও সৃজনশীল প্রকাশের অংশ।”
তার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অনেক শিক্ষার্থী তাকে ধন্যবাদ ও সমর্থন জানিয়েছেন। শিক্ষার্থীদের মতে, মিল্লাদ হোসেন সবসময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার, দাবি ও সমস্যা নিয়ে সরব থাকেন। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সংকট, শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কিংবা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড—প্রতিটি বিষয়েই তিনি শিক্ষার্থীদের ম্যান্ডেট অনুযায়ী কাজ করার চেষ্টা করেন বলেও মন্তব্য করেন অনেকে।
শিক্ষার্থীদের একাংশ বলেন, “মিল্লাদ হোসেন সবসময় শিক্ষার্থীদের পক্ষের কথা বলেন। ক্যাম্পাসে যখনই কোনো সমস্যা তৈরি হয়, তিনি সামনে থেকে কথা বলেন এবং সমাধানের চেষ্টা করেন। গ্রাফিতির মতো সৃজনশীল কাজের পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় আমরা তাকে ধন্যবাদ জানাই।”
তাদের দাবি, গ্রাফিতি বা দেয়ালচিত্র কোনো বিশৃঙ্খলা নয়; বরং এটি তরুণদের ভাবনা, প্রতিবাদ, ইতিহাস ও সংস্কৃতির বহিঃপ্রকাশ। তাই এমন কার্যক্রমে অযথা বাধা না দিয়ে প্রশাসনের সহযোগিতামূলক ভূমিকা থাকা উচিত। শিক্ষার্থীরা মনে করছেন, সাংস্কৃতিক চর্চা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় ছাত্রনেতাদের আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন, আর মিল্লাদ হোসেন সেই জায়গা থেকেই কথা বলেছেন।
এদিকে তার বক্তব্যকে ঘিরে ক্যাম্পাসজুড়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। অনেকেই বলছেন, সাধারণ শিক্ষার্থীদের অনুভূতি ও প্রত্যাশার জায়গা থেকেই তিনি এ মন্তব্য করেছেন। ফলে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।














Leave a Reply